মুসলিম মনীষীদের বাণী (Muslim monishider bani)

মুসলিম মনীষীদের বাণী (Muslim monishider bani)

মুসলিম মনীষীদের বাণীঃ
০১। আল্লাহ বলেছেনঃ- আমি জান্নাত কে লুকিয়ে রেখেছি দুঃখ কষ্টের ভিতর, আর জাহান্নাম কে লুকিয়ে রেখেছি দুনিয়ার ধন সম্পদ, হাসি- খুসির ভিতর।
__হযরত মোহাম্মদ (সঃ)
০২। যে যুবক একজন যুবতী নারীকে একা পেয়েও আল্লাহর ভয়ে তার ইজ্জতের উপর আঘাত করে না, তার জন্য অপেক্ষা করছে জান্নাতুল ফেরদাউস।
__হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)
০৩। সে মুমিন নয়, যে নিজে পেট পূরে খায় আর পাশেই তার প্রতিবেশী না খেয়ে থাকে। __হযরত মোহাম্মদ (সঃ)
০৪। মানুষের কিসের এত অহংকার ।যার শুরু একফোটা রক্তবিন্দু দিয়ে আর শেষ হয় মৃত্তিকায় ”
― হযরত আলি রাঃ
০৫। নীচ লোকের প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে অশ্লীল বাক্য।
-হজরত আলী (রা.)
০৬। যখন কোন বান্দা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, সেটা আসলে কেবল মুখে উচ্চারিত কোন বিষয় থাকে না, বরং আল্লাহর করুণা ও রাহমাত প্রাপ্তির কৃতজ্ঞতা স্বীকার অন্তর থেকেও করা হয়।
―আব্দুল কাদির জিলানী
০৭। বিপদে অস্থিরতা নিজেই একটি বড় বিপদ।
-হজরত আলী (রা.)
০৮। যারা আল্লাহর প্রকৃত পরিচয় লাভে ব্যর্থ হয়েছে, কেবল এ ধরনের লোকেরাই আল্লাহ ছাড়া অন্যের নিকট তাদের প্রয়োজন পূরণের প্রার্থনায় মনোনিবেশ করে থাকে।
―আব্দুল কাদির জিলানী
০৯। শাসকরা যখন বিগড়ে যায় তখন জনগনও বিগড়াতে শুরু করে। সর্বাপেক্ষা ইতর সে ব্যক্তি যার প্রভাবে তার অধীনস্থদের মধ্যে অনাচার বিস্তার লাভ করে।
হযরত ওমর (রা.)
১০। আখেরাতের চিন্তা বাদ দিয়ে যত কিছুই করা হোক তার সবটুকুই দুনিয়াদারী। -হযরত ওসমান রা:
১১। আপনার জন্য যা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা যদি দুই পর্বতের নিচে ও থাকে তবু ও তা আপনার কাছে পৌঁছে যাবে। আর আপনার জন্য যা নির্ধারণ করা হয় নি, তা যদি দুই ঠোঁটের মাঝে ও থাকে তবু ও তা আপনার কাছে পৌঁছবে না!
―ইমাম গাজ্জালী
১২। যে ভুল করে, সে “মানুষ” যে ভুলের উপর স্থির থাকে, সে “শয়তান” আর যে ভুল করার পর আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায় সে “মুমিন। _
-হযরত মোহাম্মদ {সঃ}
১৩। গোপন কথা যতক্ষণ তোমার কাছে আছে সে তোমার বন্দী । কিন্তু কারো নিকট তা প্রকাশ করা মাত্রই তুমি তার বন্দী হয়ে গেলে ।
-হজরত আলী (রা.)
১৪। দুই ধরনের মানুষ কখনও তৃপ্ত হতে পারে না জ্ঞানের অম্বেষী, সুতরাং জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেকের জন্য আবশ্যক। সম্পদের লোভ, যা মানুষকে ধ্বংসের দারপ্রান্তে পৌঁছে দেয়। সুতরাং সম্পদের লোভ থেকে বিরত থাকা।
―ইমাম গাজ্জালী
১৫। সম্মুখে তারিফ করে দুষমন সে জন ।
-হজরত আলী (রা.)
১৬। আয়নায় নিজের চেহারা দেখা- সুদর্শন হলে, পাপের কালিমা লেপন করে আমলনামা ধ্বংস না করা। আর যদি কালো-কুশ্রী (পাপিষ্ট) হলে, পাপ-পঙ্কিলতা থেকে তাওবা করে আল্লাহর পথে ফিরে আসা।
―ইমাম গাজ্জালী
১৭। তাওবা বৃদ্ধের জন্য একটা প্রশংসনিয় কাজ,তবে যুবকের তাওবা সর্বাপেক্ষা প্রশংসনীয়।
-হযরত আবু বকর (রাঃ)
১৮। দূরবর্তী নদীতীরে চর্মরোগগ্রস্ত একটি ছাগী যদি মালিশ করার মত একটু তেলের অভাবে কষ্ট পায়, তবে হাশরের দিন সে সম্পর্কেও রাষ্ট্রপ্রধানকে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে।
-হযরত ওমর (রা.)
১৯। তিনটি বস্তু মানুষকে ধ্বংস করে দেয়,লোভ হিংসা ও অহংকার।’
―ইমাম গাজ্জালী
২০। দুনিয়াতে সব চেয়ে কঠিন কাজ হচ্ছে নিজেকে সংশোধন করা আর সব চেয়ে সহজ কাজ হচ্ছে অন্যের সমালোচনা করা । -হজরত আলী (রা.)
২১। যে বাতাস গাছ উপড়ে ফেলে, সেই বাতাসেই ঘাসেরা দোলে। বড় হওয়ার দম্ভ কখনও করো না।
-জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমি
২২। মোমবাতি হওয়া সহজ কাজ নয়। আলো দেওয়ার জন্য প্রথম নিজেকেই পুড়তে হয়।
-জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমি
২৩। মন্দ লোকের সাহচর্য থেকে একাকিত্ব এবং একাকিত্বের চেয়ে সত লোকে সাহচর্য উত্তম।-হযরত -আবু বকর (রাঃ)
২৪। যা কিছু হারিয়েছো তার জন্য দুঃখ করো না। তুমি তা আবার ফিরে পাবে, আরেকভাবে, আরেক রূপে।
-জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমি
২৫। কোনো বান্দাহ ততোক্ষণ পর্যন্ত মুসলিম হয়না , যতোক্ষণ তার মন ও যবান মুসলিম না হয়। __হযরত মোহাম্মদ (সঃ)
২৬। শব্দ দিয়ে প্রতিবাদ করো, কণ্ঠ উঁচু করে নয়। মনে রাখবে ফুল ফোটে যত্নে, বজ্রপাতে নয়।
-জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমি
২৭। নিজের বোঝা যত কমই হোক তা অন্যের উপর চাপাতে চেষ্টা করো না।
-হযরত ওসমান রা:
২৮। গতকাল আমি বুদ্ধিমান ছিলাম, তাই পৃথিবীটাকে বদলে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আজ আমি জ্ঞানী, তাই নিজেকে বদলে ফেলতে চাই।
-জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমি
২৯। নিজের জন্যে যা পছন্দ করো , অন্যদের জন্যেও তাই পছন্দ করবে , তবেই হতে পারবে মুমিন।
__হযরত মোহাম্মদ (সঃ)
৩০। অসৎ লোক কাউকে সৎ মনে করে না,সকলকেইসে নিজের মত ভাবে। -হজরত আলী (রা.)
ঘষা খেতে যদি ভয় পাও, তাহলে চকচক করবে কীভাবে?
-জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *